অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ

0
43

প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার সামনে ১৩২ রানের টার্গেটটা মামুলিই লাগছিল। তবে মিরপুরের উইকেট এই পুঁজিকেই জয়ের জন্য যথেষ্ট প্রমাণিত করলো। পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে প্রথমবারের মতো এই ফরম্যাটে অজিদের হারালো বাংলাদেশ। ২৩ রানের এই জয়ে ১-০ তে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।

আজকের দিনটা যে অস্ট্রেলিয়ার নয় তা টের পাওয়া গিয়েছিল ইনিংসের প্রথম বলেই। কারণ এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো কোন অজি ক্রিকেটার বাংলাদেশের বিপক্ষে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হওয়ার নজির গড়লেন।

শূন্যতে অ্যালেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে মেহেদী হাসান যে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন, নাসুম আহমেদের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে তা কেবল চাপা পড়েছে। ৪ ওভারে ১৯ রান খরচায় নাসুমের শিকার সংখ্যা ৪! তাও আবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। বাঁহাতি এই অর্থোডক্স স্পিনারকে একাদশে রাখার সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিলো না তা নিজেই প্রমাণ করলেন।

অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করা মিচেল মার্শ- সবাই নাসুমের স্পিন বিষে নীল হয়েছেন। জোড়া উইকেট শিকার করেছেন দুই পেসার মোস্তাফিজ-শরিফুল। এছাড়া ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন সাকিব ও মেহেদী।

এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে সফরের টি-টোয়েন্টি দল থেকে একাদশে আসে ২ পরিবর্তন। আর তামিম-লিটনের অনুপস্থিতিতে ওপেনিংয়ে নামেন সৌম্য-নাঈম জুটি। তবে ডট বল খেলার প্রবণতায় বাড়তে থাকা চাপ কমাতে গিয়ে ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। তবে নাঈম শেখের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে গুটি গুটি পায়ে স্কোরবোর্ডে রান তোলে বাংলাদেশ।

সোহানের পথেই হেঁটেছেন মাত্র ২ ম্যাচ খেলা শামীম হোসেন। স্টার্কের ৫০তম টি-টোয়েন্টি উইকেটে পরিণত হয়ে এই ইয়ংস্টার ফিরেছেন ৪ রানে। তবে এক প্রান্ত আগলে থাকা সাকিবের কারণে মাঝারি মানের রান তোলার ব্যাপারে আশাবাদী ছিল ক্রিকেট সমর্থকরা।

সেই আশায় গুঁড়েবালি। সাকিবও সাজঘরের পথ ধরেন ব্যক্তিগত ৩৬ রানে। এরপর শেষের দিকে আফিফ হোসেনের ১৭ বলে করা ২৩ রানেই মূলত ১৩১ রান স্কোরবোর্ডে জমা হয় টাইগারদের। অজিদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেন জশ হ্যাজেলউড।