ট্রাম্প এর মুসলিম ও বর্ণ বিদ্বেষ কি নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে

0
12

আগামী নভেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্রেট পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন এবং  সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প এর মধ্যে প্রথম বিতর্ক অনুষ্ঠিত হলো। আমেরিকান নিউজ চ্যানেল সিএনএন এর হোষ্ট ছিলো।

“প্রকৃতপক্ষে, ইসরায়েল-ই(যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়)
এবং আপনার উচিত তাদের যেতে দেওয়া ও তাদের
কাজ শেষ করা। তিনি (বিডেন) এটা করতে চান না।
সে একজন ফিলিস্তিনি হয়ে গেছে কিন্তু তারা তাকে
পছন্দ করে না কারণ সে খুবই খারাপ ফিলিস্তিনি।
তিনি একজন দুর্বল,” ট্রাম্প বলেছিলেন।

এভাবেই কটাক্ষ মন্তব্য করেছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বললেন, হামাস এ যুদ্ধের জন্য দায়ী এবং হামাস চায়না   যুদ্ধ শেষ হোক।

প্রকৃতপক্ষে ট্রাম্প এর মুসলিম বিদ্বেষ এবং বর্ণ বিদ্বেষ দুটোই জায়গা করে নিয়েছিলো তার বিতর্কিত বিতর্কে।তিনি অভিবাসীদের নিয়েও কথা বলেছেন এবং কৃষ্ণাঙ্গদের চাকরিও বাদ যায়নি তার বিতর্কে।মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে তাঁর গত নির্বাচনের মানসিকতার কোনোরূপ পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়নি বরং আরো কঠোরতার ভাব স্পষ্ট করেন তিনি। মুসলমানদের প্রতি উনার ক্ষোভ, কৃষ্ণাঙ্গদের সমমর্যাদার মানুষ মনে না করা এখন উনার গর্বের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।তিনি তাঁর নীতি থেকে সরে আসতে চান না।তিনি বাইডেনকে এটা নিয়েও কটাক্ষ করে বলেন,কয়েক জোড়া ভোটের জন্য বাইডেন মুসলিমদের পক্ষে কাজ করে।

আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনস এ্যাডভোকেসী গ্রুপ, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এর মন্তব্যের নিন্দা করে বলেন, এটা বলা উচিৎ হয়নি যে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধ শেষ করতে চায় কিন্তু হামাস চায় না যুদ্ধ শেষ হোক। আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি ফিলিস্তিনের পক্ষে কখনো ছিলোনা, সাবেক বর্তমান সব প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলকে শর্তহীন সাহায্য সহযোগিতা করে আসছে তার পরেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে আরো দ্রুত শেষ (ইসরাইয়ের ইচ্ছার বাস্তবায়ন) আগ্রহ ফুটে উঠে।

মানবাধিকার সংস্থাও ট্রাম্পের কথাকে ভালোভাবে নেয়নি।ট্রাম্প এর বর্ণবাদী মানসিকতার তীব্র সমালোচনা করেন তারা।যদিও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প কে একটু মজবুতই মনে হয়েছিল জো বাইডেন এর তুলনায় কিন্তু আমেরিকানদের ইচ্ছার প্রতিফলন হবে আগামী নভেম্বরের নির্বাচনের ফলের মাধ্যমে।