বসুন্ধরার এমডি যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সতর্ক পুলিশ

0
4

বসুন্ধরার এমডি যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন, সেদিকে বেশি নজর দিচ্ছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মুনিয়ার ৬টি ডায়রিতে সরাসরি সুইসাইড নোট না থাকলেও আসামির সঙ্গে মুনিয়ার সম্পর্কের টানাপড়েন এবং সম্পর্কের স্বীকৃতি আদায় নিয়ে নানা বর্ণনা আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ডায়রিতে বিভিন্ন দিনের যে চিত্র আছে সেই পরিপ্রেক্ষিতে তার ভেতরে মানসিক দ্বন্দের যে উদ্ভব সেটা আমরা পর্যালোচনা করে দেখছি। সরাসরি সুইসাইডাল নোট না লিখলেও তার প্রচন্ত মানসিক কষ্টগুলো ফুটে উঠেছে।এই মামলার আসামি বসুন্ধরার এমডি যেন দেশত্যাগ করতে না পারে সে বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়ে পুলিশ বলছে, আত্মহত্যার প্ররোচনায় আর কেউ জড়িত কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সুদীপ কুমার বলেন, দুটি পাসপোর্টধারী এই ব্যক্তি ২৬-২৭ ধারা অনুযায়ী দেশ ত্যাগ করেনি। আমরা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের এই বক্তব্যকে প্রধান হিসেবে নিচ্ছি।এদিকে মুনিয়ার পরিবার এটিকে হত্যাকাণ্ড দাবি করছে। সুরতহালের সময় উপস্থিত থাকা তার বোনের দাবি, আত্মহত্যার কোনো আলামত তিনি দেখেননি।মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান বলেন, একটা মানুষ যদি ফাঁস দেয় তাহলে হাত-পা ছুড়াছুড়ি করলে টুলটা পড়ে যাওয়ার কথা কিন্তু টুলটা পড়েনি। টুলের দুইপাশে তার পা ঝুঁলে রয়েছে আর পা বাকানো ছিল এবং বিছানাও পরিপাটি ছিল। উনি এখনো দেশে থাকা সত্ত্বেও প্রসাশন কেন তাকে গ্রেফতার করতে পারছে না এটা সবাই জানতে চায়।এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের জন্য রাষ্ট্রের সবোর্চ্চ সহযোগিতা আশা করেন তিনি।গত মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) রাতে গুলশানের অভিজাত ফ্ল্যাটে নুসরাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তদন্ত করছে পুলিশ।