মডেল মসজিদ যেন বিনোদন কেন্দ্র না হয়

0
85

এস. এম নাঈম উদ্দীনঃ মসজিদ আল্লাহ্ তায়ালার ঘর। এই ঘর ইবাদতের সর্বোত্তম স্থান। পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করেন মুসল্লীরা। তবে অতিরিক্ত সুন্দর করার ফলে যেই পবিত্র স্থানটি এখন হয়ে যায় বিনোদনের কেন্দ্র। প্রেমিক-প্রেমিকারা যায় সেখানে ঘুরতে। টাঙ্গাইলে শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। যে মসজিদটি বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে রূপ নিয়েছে। যে মসজিদে ভীড় করতো তরুণ যুবক-যুবতীরা।

এই মডেল মসজিদও যেন এমন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই মসজিদ গুলোতে যেন রাজনৈতিক প্রভাব না পড়ে সেদিকেও খেয়াল রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। না হয় দেখা যাবে মসজিদের ভিতরে রাজনৈতিক মিটিং, আলোচনা, সেমিনার, বৈঠক, রাজনৈতিক কমিটি নিয়ে আলোচনা এসব করে বসবে। কারণ মসজিদ তো সরকারি। আলোচনাও সরকারের, তাহলে সমস্যা কোথায়? এমন প্রশ্ন থাকতে পারে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মনে।

মসজিদের ভিতরে কোন ধরণের ছবি ব্যবহার না করার বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি। অনেক সময় দেখা যাবে, যে এলাকায় মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে সে এলাকার এমপি’র ছবি ঝুলিয়ে রাখছে। যাতে এমপি মহোদয় খুশি হয়। আর এমপি মহোদয়কে রাজি, খুশি করতে পারলে আয়ের অভাব নাই। কিছু কিছু নেতা আছে এমপি,মন্ত্রীকে বেশি তেল দেয়ার জন্য তাদের ছবিও মসজিদে লাগিয়ে দিতে পারে। এমনটা যাতে না হয় সেদিকে নজর খারার অনুরোধ রইল।মসজিদ আল্লাহ্ রব্বুল আলামিনের ঘর। এখানে কারো ছবি বা মিটিং কিছুই শোভা পায় না। শুধু ইবাদতের জন্য স্থান হল মসজিদ।
পরিশেষে বলতে চায় অতিরিক্ত তেল দেয়া বন্ধ করুন। সঠিক পথে অগ্রসর হোক। দেশ এমনিতেই উন্নতি হবে।