মশার কামড়ে অতিষ্ঠ ভালুকা পৌরবাসী

0
13

ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরশহরে প্রচুর মশার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। শীতের রেশ কাটিয়ে বসন্ত আসতেই কয়েকদিন ধরে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। ভালুকা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন মশা নিধনের ঔষধ না দেয়ার কারণে শহরে হঠাৎ মশার উপদ্রব দেখা দিয়েছে।
পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার অসংখ্য স্তুপ সৃষ্টি হয়ে আছে। পঁচাগলা ময়লা-আবর্জনা জমে অকার্যকর হয়ে পড়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ড্রেনগুলো এখন মশা উৎপাদনের খামারে পরিনত হয়েছে। দিন- রাত সার্বক্ষণিক সেখান থেকে পঁচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে এলাকার পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। পাশাপাশি উপদ্রব ভয়ানক হারে বেড়ে যাওয়ায় মশার কামড়ে রাতে ঘুমাতে পারছেন না এলাকার মানুষ। এতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে আসছে না। শীত মৌসুমে মশার উপদ্রব কম থাকলেও গরমে তার উপদ্রব অনেক বৃদ্ধি পায়। মশা নিধনে প্রতি বছর বাজেট বরাদ্ধ থাকলেও ঠিকমত অর্থ ব্যয় করছেনা পৌর কর্তৃপক্ষ। শহরের ময়লাগুলো রাস্তা ঘাটের পাশে পরে থাকার কারণে দিনের পর দিন মশার উপদ্রব বেড়েই চলছে। এছাড়াও রাস্তায় দুর্ঘন্ধ বাড়ছে ও পথচারীদের চলাচলে কষ্ট হচ্ছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলররা দেখেও না দেখার ভান করে চলছেন।

স্থানীয়রা বলছে, শুধু ট্যাক্সের টাকার জন্য আমাদের কাছে আসে কিন্তু উন্নয়ন কাজ কোনটাই করছেনা পৌর কর্তৃপক্ষ। ছেলে মেয়েরা রাতের বেলা পড়ালেখা করতে পারছেনা মশার অত্যাচারে। পৌরবাসীর অভিযোগ ভালুকা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নিয়মিত মশা নিধনের জন্য ঔষধ না দেয়ার কারনে শহরে এমন মশা দেখা দিয়েছে। তারা যদি প্রতিদিন নিয়মিত মশা নিধনের জন্য কাজ করতেন তাহলে শহরে এতটা মশার উপদ্রব দেখা যেত না।

ভালুকা পৌর মেয়র একে. এম. মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম দুর্ভোগের বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভালুকা পৌর শহরের ড্রেনসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তুপ দ্রুত অপসারণ করা হবে। মশার উপদ্রব সত্যিই বেড়েছে, যা সারা বাংলাদেশে সহ। মশা নিধন কার্যক্রম শুরু করতে দেরি হয়ে গেছে। তবে খুব শিগগিরই প্রতিটি ওয়ার্ডে মশা নিধন কার্যক্রম শুরু করা হবে।