মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তারের মহানুভবতায় প্রাণে বাঁচলো মনোয়ারা

0
47

বিপন্ন সেই নারীটি আল্লাহর রহমতে রক্ষা পেয়েছে। মানবিক ডাক্তারদের আন্তরিক প্রচেষ্টায়। বিপন্ন রোগী সেই মহিলা প্রচন্ড যন্ত্রনা নিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বেশ কজন বিশেযজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হলেও তারা ঝুঁকি নিতে চাইনি। পরে বাধ্য হয়ে মহিলা রোগী মনোয়ারা বেগম (৩৮) চকরিয়া পৌর শহরস্থ মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে ছুটে আসেন অতিথি ডাক্তার গাইনী বিশেযজ্ঞ আসিফা আলী শিউলী কাছে। শিউলী বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ডাক্তারদের ব্যবস্থাপত্র ও পরীক্ষা নিরীক্ষার রির্পোট পর্যালোচনা করে দেখেন রোগীর পেটে বড় ধরণের টিউমার ও গর্ভজাত সন্তান রয়েছে। পরে ডাক্তার আসিফা আলী শিউলী ওই রোগীর মুখের সব কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেন অপারেশন করার। গত ১২ মার্চ রোগী মনোয়ারা বেগমকে ডাক্তার শিউলীর নেতৃত্বে ওই হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সার্জারি বিশেযজ্ঞ জেনারুল ইসলাম নুর তিনঘন্টা সফল ভাবে অপারেশন করে বের করা হয় ৬কেজি ওজনের টিউমার ও চার কেজি ওজনের নবজাতক শিশু সন্তানটি। বর্তমানে মা ও নবজাতক শিশুটি সুস্থ রয়েছে। অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত দান করে মানবতার পরিচয় দিয়েছেন চকরিয়া ব্লাড ডোনার সোসাইটি। মুলত রোগীর বাড়ি চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সুরাজপুর গ্রামে। তার স্বামী আবুল খায়ের। সে বর্তমানে প্রবাস ফেরত পুত্রের দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তার ছেলেকে বাঁচাতে একটি নিজের কিডনি দান করে তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ধরণের একজন রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে নজির স্থাপন করলেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক গাইনী আসিফা আলী শিউলী। তাকে সার্বিক ভাবে সহযোগীতা করেন ওই হাসপাতালের সার্জারি বিশেযজ্ঞ জেনারুল ইসলাম নুর। এ ধরণের রোগীর ক্ষেত্রে মহানুভবতার পরিচয় দিতে পারলে বেসরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হাসপাতাল গুলোর প্রতি মানুষ ঋনি হয়ে থাকবেন।