মিয়ানমারের গুলি: টেকনাফ সেন্ট মার্টিনে নৌ চলাচল বন্ধে খাদ্য সংকট

0
9

কক্সবাজার করেসপন্ডেন্ট, সিএনএন বাংলাদেশ :: একের পর এক মিয়ানমারের গুলিবর্ষণ ঘটনায় টানা ৭ দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে বন্ধ রয়েছে সার্ভিস ট্রলারসহ নৌযান চলাচল। যার কারণে কোনোভাবেই টেকনাফ থেকে পাঠানো যাচ্ছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। একই সঙ্গে অসুস্থ অনেক রোগীকে সেন্টমার্টিন থেকে পাঠানো যাচ্ছে না টেকনাফে।

মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার কারণে গত ৭ দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সব ধরনের নৌ-যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সেন্টমার্টিনের ১০ হাজারের বেশি বাসিন্দা চরম খাদ্য সংকটে পড়েছে। ছবি: সময় সংবাদ
মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার কারণে গত ৭ দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সব ধরনের নৌ-যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সেন্টমার্টিনের ১০ হাজারের বেশি বাসিন্দা চরম খাদ্য সংকটে পড়েছে। ছবি: সময় সংবাদ
সুজাউদ্দিন রুবেল।

দ্বীপের বাসিন্দাদের দাবি, ফুরিয়ে আসছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। তবে খুবই দ্রুত সময়ের মধ্যে বিকল্পপথে যাত্রী এবং খাদ্যপণ্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন; বিচ্ছিন্ন দ্বীপে এখন বন্দি হয়ে আছেন ১০ হাজারের বেশি বাসিন্দা। একের পর এক মিয়ানমারের গুলিবর্ষণ ঘটনায় যেতে পারছেন না কোথাও। দ্বীপের পাড়ে নোঙর করা রয়েছে ট্রলার ও স্পিড বোট। অনেকটায় মাঝ সাগরে দ্বীপে বন্দি দশায় দিন পার করছেন বাসিন্দারা।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, নাফ নদী যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে, সেই নাইক্ষ্যংদিয়া পয়েন্টে অবস্থানরত সশস্ত্র দলটি মঙ্গলবার সকালে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দিকে যাওয়া স্পিডবোটে ১০-১২ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। চালক অবস্থা বুঝে স্পিডবোট দ্রুত চালিয়ে পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের দিকে চলে যান। এতে কেউ হতাহত হয়নি। বোটটি দুপুর ১২টার দিকে দ্বীপে পৌঁছে।

ট্রলার বা স্পিডবোটের মাধ্যমে ওই রুটে যাত্রী বা পণ্য পরিবহনের চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ৫ জুন সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার সময় নির্বাচনী সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের বহনকারী একটি নৌযানে গুলিবর্ষণ করা হয় মিয়ানমার থেকে। এতে ট্রলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেউ হতাহত হননি। এরপর ৮ জুনও আরেকটি পণ্যবাহী ট্রলারে আবারও গুলি চালানো হয়। এতে কেউ হতাহত না হলেও ট্রলারটিতে গুলি লাগে সাতটি।