সময় টিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা, এখনো অধরা অভিযুক্তরা

0
2

বগুড়ায় সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সময় সংবাদের রিপোর্টার ও চিত্র সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায়, লুট করা ক্যামেরার ভাঙা অংশ ও মাইক্রোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত শ্রমিক লীগ নেতা জনি ও ইউপি মেম্বার লুৎফরকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে এ হামলার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন গণমাধ্যম কর্মীরা। জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় দরিদ্রদের জন্য নির্মাণাধীন ঘরের দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে নিজেই সংবাদ হয়ে যান বগুড়ায় সময় সংবাদের রিপোর্টার মাজেদুর রহমান ও চিত্র সাংবাদিক রবিউল ইসলাম।সদর উপজেলার নিশিনদারা ইউনিয়নের দশটিকা গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান লাল মিয়া ও ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি জনির নেতৃত্বে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন তারা। রড ও লাঠিসোটা দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে অজ্ঞান করা হয় তাদের। ভাংচুরের পর ছিনিয়ে নেয়া হয় ক্যামেরা, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও নানা সরঞ্জাম।এ ঘটনার একদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল দশটিকা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ছিনিয়ে নেয়া ক্যামেরার ভাঙ্গা অংশ উদ্ধার করা হলেও ক্যামেরার মেমরি কার্ড, মোবাইল ফোন এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। আটক হয়নি বর্বরোচিত হামলার সঙ্গে জড়িতদের কেউ।বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, মোবাইল উদ্ধারের প্রচেষ্টা আমাদের রয়েছে। এবং আসামিদের গ্রেফতারের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। সে বর্তমানে পলাতক রয়েছে, তবে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ন্যাক্কারজনক এ হামলার প্রতিবাদে শহরের সাতমাথা এলাকায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন গণমাধ্যম কর্মীরা। সহকর্মীকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানান তারা।বগুড়া টেলিভিশন রিপোর্টাস ইউনিটি সাধারণ সম্পাদক মেহেরুন সুজন বলেন, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।এদিকে একই দাবিতে ফেনী শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন করেন সাংবাদিকরা। মাটিতে ক্যামেরা রেখে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তারা।সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত সময় সংবাদের রিপোর্টার মাজেদুর রহমান ও চিত্র সাংবাদিক রবিউল ইসলাম বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।