আবারো সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

0
145

নিজের অ্যাজেন্ডাকে সমর্থন করে না এমন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের হুমকিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর কর্তাব্যক্তিরা অবাক হয়েছেন। অন্যদিকে ট্রাম্প চান, সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন, অথবা সেগুলো বন্ধ করে দেবেন।ট্রাম্পের পরামর্শ, সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো যেন নিজেদের কার্যক্রম ঠিক রাখে, এখনই! তবে ট্রাম্পের এসব দাবি, মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বুধবার (২৭ মে) ট্রাম্প টুইট করে লেখেন, রিপাবলিকানরা মনে করেন, সোশ্যাল মিডিয়া রক্ষণশীলদের কণ্ঠ একেবারে স্তব্ধ করে দেয়। আমরা তাদের (সোশ্যাল মিডিয়া) কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবো অথবা বন্ধ করে দেবো, যে কোনো কিছু ঘটার আগেই। আমরা জানি ২০১৬ সালে তারা কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে সফল হয়নি। আমরা পুনরায় সে চেষ্টা করার সুযোগ দেবো না।এদিকে ট্রাম্প এর আগেও টুইট করে ভোট জালিয়াতির ব্যাপারে ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের চেয়ে ২৮ লাখ ভোট বেশি পেয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটন। তবে ইলেক্টরাল ভোটে তিনি হেরে যান। এদিকে, এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি পোস্টে ‘ফ্যাক্ট-চেক’ লেবেল সেঁটে দেয় টুইটার। পোস্ট করা একটি টুইটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লেখেন, কোনো উপায় নেই (শূন্য!) মেইল-ইন ব্যালটগুলো ব্যাপক জালিয়াতির চেয়ে কম কিছু হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ পোস্টটির নিচে একটি সতর্কতা লেবেল লাগিয়ে দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে তাদের নতুন নীতি অনুযায়ী একটি টুইট করে টুইটার।  ওই টুইট করা নোটিফিকেশনে নীল রঙের একটি বিস্ময়বোধক চিহ্ন দেখানো হয় এবং হাইপার লিঙ্কে পাঠকদের ‘মেইল-ইন ব্যালটের বিষয়ে সঠিক তথ্য’ জানার পরামর্শ দেয়া হয়।টুইটারের লিঙ্কটি ব্যবহারকারীদের আরেকটি পেইজে নিয়ে যায় যেখানে মেইল-ইন ব্যালটের বিষয়ে ট্রাম্পের দাবিকে সিএনএন, ওয়াশিংটন পোস্ট ও অন্যদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ‘প্রমাণিত নয়’ বলে বর্ণনা করা হয়। তারপর ‘আপনার কী জানা দরকার’ শিরোনামে আরেকটি অনুচ্ছেদে টুইটার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দাবিকে ‘মিথ্যা’ কেন বলছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছে।  প্রতিক্রিয়ায় ফের আরেকটি টুইট করে ট্রাম্প লেখেন, টুইটার পুরোপুরি বাকস্বাধীনতার কণ্ঠরোধ করছে।টুইটারের এসব পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া ট্রাম্প অভিযোগ করেন, এ  সোশ্যাল মিডিয়াটি যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (৩ নভেম্বর, ২০২০) হস্তক্ষেপ করছে। বলেন টুইটার পুরোপুরি বাক স্বাধীনতার কণ্ঠরোধ করছে, আর আমি, প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটি হতে দেব না।বিবিসি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার তাদের সাইটে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সতর্কতার মাত্রা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষেত্রে দেরি করেছে। টুইটার চলতি মাসের প্রথমদিকে তাদের সতর্কতার মাত্রা সংক্রান্ত নীতি হালনাগাদ করেছে।সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট। 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে