উপকূলীয় লঘুচাপ বাড়বে বৃষ্টি

0
13

বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি বুধবার পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সে কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে গতকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ৭১ মিলিমিটার। ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ৪৬ মিলিমিটার।আবহাওয়া অফিসের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি বুধবার সকালে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘনীভূত হবে।আগামী শুক্র-শনিবারের দিকে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে কি না বা কোনো দিকে অগ্রসর হবে তা এখনই বলা যাবে না।আরো  আবহাওয়া অফিস বলছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। আজ বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়বে।আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আজ ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টি ঝরবে। কোথাও কোথাও বজ সহ বৃষ্টি হবে। কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে।আবহাওয়া অফিস বলছে, গত ১০ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছিল। সেটি পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ভারতের ওড়িশায় স্থলভাগ অতিক্রম করে। তখন অবশ্য কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অবশ্য এই মাসে একটি ঘূর্ণিঝড়ের খবর আগেই দিয়ে রেখেছে আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে তখন তার নাম হবে ‘গতি’।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে